
শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে মাত্র ২৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমনের ৯৩ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে দল। তবে সাইফ ও মেহেদী হাসান মিরাজের পরপর বিদায়ে আবারও চাপে পড়েছে বাংলাদেশ। ৩২.৫ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে দলের সংগ্রহ ১২৪ রান। একপ্রান্তে হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন ইমন।
৮২ বলে ৪১ রান করে সাইফ হাসান ফিরলে ভাঙে তাঁর ও ইমনের প্রতিরোধ। টেস্ট মেজাজে ব্যাটিং করা সাইফের ইনিংসে ছিল দুটি চার ও একটি ছক্কা। মোহাম্মদ নবির বলে এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে ডিপ মিডউইকেটে ক্যাচ দেন তিনি।
সাইফের বিদায়ের পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজও। আগের ম্যাচে জ্বরের কারণে খেলতে না পারা এই অলরাউন্ডার বিলাল সামির বাউন্সারে পুল করতে গিয়ে স্কয়ার লেগে ক্যাচ তুলে দেন।
এদিকে নিজের চতুর্থ ওয়ানডে খেলতে নেমে দ্বিতীয় অর্ধশতকের দেখা পেয়েছেন বাঁহাতি ব্যাটার পারভেজ হোসেন ইমন। ৭৪ বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। এখন টেলএন্ডারদের সঙ্গে নিয়ে দলের সংগ্রহ বাড়ানোর চ্যালেঞ্জ তাঁর সামনে।
দুবাইয়ের শারজাহ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়।
চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে জায়গা করে নিতে বাংলাদেশের সামনে কঠিন সমীকরণ। শুধু জয় পেলেই হবে না, জিততে হবে কমপক্ষে ৪১ রানের ব্যবধানে। সেই লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামা দলটি এখন ব্যাটিং বিপর্যয় কাটিয়ে লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করছে।