
২৮ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর পারভেজ হোসেন ইমন ও সাইফ হাসানের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখেছিল বাংলাদেশ। পঞ্চম উইকেটে ৯৩ রানের জুটিতে সেই সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সাইফের বিদায়ের পর আবারও ভেঙে পড়ে ব্যাটিং লাইনআপ। ইমনের ৭০ রানের ইনিংসের পরও আফগানিস্তানের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ১৬০ রানেই অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ।
শারজায় টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। তবে শুরুতেই তাঁর সিদ্ধান্তের সুফল পায়নি দল। দ্বিতীয় ওভারে ইয়ামিন আহমদজাইয়ের বলে পরপর দুই বলে ফিরে যান তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার। এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ১৫ রান করে আউট হন। অধিনায়ক হৃদয়ও শূন্য রানে ফিরলে মাত্র ২৮ রানেই চার উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ।
ধস সামাল দিতে ক্রিজে প্রতিরোধ গড়েন ইমন ও সাইফ। দুজনের ৯৩ রানের জুটি বাংলাদেশের ইনিংসে স্বস্তি ফেরায়। ৮২ বলে ৪১ রান করে সাইফ আউট হলে ভাঙে এই জুটি। তার আগে ৭৫ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন ইমন।
জুটি ভাঙার পর ফের বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজ ৭ বলে ২ রান করে বিদায় নিলে দলের ষষ্ঠ উইকেটের পতন ঘটে ১২৪ রানে। এরপর ১৪ বলে ৭ রান করা শরিফুল ইসলামকে বোল্ড করেন রশিদ খান।
একপ্রান্তে অবিচল থেকে রান বাড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যান ইমন। তবে ৯৬ বলে ৭০ রানের ইনিংস খেলে শেষ পর্যন্ত রশিদের বলে আউট হন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কা। এরপর রশিদের পরপর দুই বলে সাজঘরে ফেরেন আলিস আল ইসলাম ও মুস্তাফিজুর রহমান। দুজনই কোনো রান করতে পারেননি। তাসকিন আহমেদ ২ রানে অপরাজিত থাকলেও বাংলাদেশের ইনিংস থামে ১৬০ রানে।
আফগানিস্তানের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে কার্যকর ছিলেন রশিদ খান। ৩১ রান দিয়ে চার উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয় আরও গভীর করেন এই লেগ স্পিনার।
ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ওঠার সমীকরণ এখন বাংলাদেশের জন্য কঠিন। শেষ চারে জায়গা নিশ্চিত করতে আফগানিস্তানকে বড় ব্যবধানে হারানোর লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামা দলটিকে এখন বল হাতে সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।