
অবশেষে পর্দা নামল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বহুল প্রতীক্ষিত পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের ভোট উৎসবের। এখন চলছে ব্যালট পেপার গণনার কাজ। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আজ সন্ধ্যার পর পরই জানা যাবে কার কাধে উঠছে দেশের ক্রিকেটের আগামী দিনের দায়িত্ব।
আজ রোববার সকাল ১০টায় মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নির্ধারিত সময়ে ভোট গ্রহণ শুরু হয়, যা কোনো বিরতি ছাড়াই চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ভোটের শুরুর ভাগে ভোটারদের আনাগোনা কিছুটা কম দেখা গেলেও, ঘড়ির কাঁটা বাড়ার সাথে সাথে ক্রিকেট পাড়ায় ভোটারদের উপস্থিতি ও ব্যস্ততা চোখে পড়ার মতো বৃদ্ধি পায়।
এবারের নির্বাচনী লড়াই মূলত দুটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে (ক্যাটাগরি-১ এবং ক্যাটাগরি-২) সীমাবদ্ধ রয়েছে। কারণ, ক্যাটাগরি-৩ থেকে একটি মাত্র পরিচালক পদের বিপরীতে সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর একক প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানোয় তিনি আগেই বিনা বাধায় নির্বাচিত হয়ে আছেন। একই ধারাবাহিকতায় ক্যাটাগরি-২ থেকেও আরও ৭ জন প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের স্বাদ পেয়েছেন। এর অর্থ হলো, আজকের মূল ভোট যুদ্ধের আগেই পর্ষদের ৮ জন পরিচালক অলিখিতভাবে নির্বাচিত হয়ে গেছেন।
ডিজিটাল পদ্ধতিতে এবারের নির্বাচনে ই-ভোট দিয়েছেন ৩৯ জন ভোটার। আজ রোববার দুপুর ১টা পর্যন্ত এই ই-ভোট জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমা নির্ধারিত ছিল। সূচি অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৬টায় পরিচালক পদের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পর পরই রাত ৭টায় নবনির্বাচিত পরিচালকদের নিজেদের মধ্যকার ভোটাভুটির মাধ্যমে বেছে নেওয়া হবে বিসিবির পরবর্তী সভাপতি ও সহ-সভাপতি।
বাকি ১৫টি পরিচালক পদের জন্য খুলনা ও বরিশাল বিভাগসহ অন্য ক্যাটাগরিগুলোতে বেশ জোরদার লড়াইয়ের আভাস মিলছে। এর মধ্যে খুলনা বিভাগের দুটি পদের বিপরীতে ব্যালট যুদ্ধে নেমেছেন মোহাম্মদ শফিকুল আলম, শান্তনু ইসলাম ও মোহাম্মদ আবদুস সালাম। অন্যদিকে, বরিশাল বিভাগের একমাত্র আসনটি নিজের করে নিতে লড়ছেন মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং মোহাম্মদ মুনতাসির আলম চৌধুরী। এছাড়া সবচেয়ে আকর্ষণীয় ক্লাব ক্যাটাগরির ১২টি পরিচালক পদের জন্য মুখোমুখি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৬ জন প্রার্থী।