
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য যেকোনো সামরিক সংঘাতে সহযোগিতা করলে যুক্তরাজ্য, উপসাগরীয় আরব দেশসহ সংশ্লিষ্ট যেকোনো রাষ্ট্রকে বৈধ সামরিক লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
রোববার (২৬ জুলাই) প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেবি বলেন, সম্ভাব্য সংঘাতের সব ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইরান আগে থেকেই প্রয়োজনীয় সামরিক পরিকল্পনা প্রস্তুত করে রেখেছে।
তার ভাষায়, ‘যুক্তরাজ্য, উপসাগরীয় দেশ বা অন্য কোনো রাষ্ট্র যদি এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করে, তাহলে তারা আমাদের জন্য বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।’
মোহেবি দাবি করেন, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বি-১ বোমারু বিমান যুক্তরাজ্যের একটি বিমানঘাঁটি ব্যবহার করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যদি তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা করে, তাহলে তারা আমাদের নির্ধারিত বৈধ লক্ষ্যবস্তু হবে।’
আইআরজিসির এই মুখপাত্র আরও বলেন, সম্ভাব্য প্রতিটি পরিস্থিতির জন্য আলাদা কৌশল ও পরিকল্পনা তৈরি রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে সেগুলো বাস্তবায়নে ইরান প্রস্তুত।
তার এই মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বিদ্যমান বিরোধের প্রেক্ষাপটে তৃতীয় কোনো দেশের সামরিক সহযোগিতা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।