
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ শেষে চলছে গণনা। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
জামালপুরের ৫টি আসনে আংশিক ফলে এগিয়ে বিএনপির প্রার্থীরা
জামালপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের সবকটিতে আংশিক ফলে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন।
জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনের ১২৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৩টি কেন্দ্রের ফলে ধানের শীষের প্রার্থী এম রশিদুজ্জামান (মিল্লাত) ৬৪ হাজার ৬২৫ ভোট এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মো.নাজমুল হক (সাঈদী) ৪২ হাজার ৬৪৪ ভোট পেয়েছেন। আসনটিতে ধানের শীষ ২১ হাজার ৯৮১ ভোটে এগিয়ে আছে।
জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনে ৯২টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৬৫টি কেন্দ্রের ফলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সুলতান মাহমুদ (বাবু) ৬৫ হাজার ৬৪৩ এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো.ছামিউল হক ৪১ হাজার ৯৬৫ ভোট পেয়েছেন। দুই প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান ২৩ হাজার ৬৭৮টি।
জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে ১৫৪টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১২টি কেন্দ্রের ফল পাওয়া গেছে। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো.মোস্তাফিজুর রহমান (বাবুল) ১৬ হাজার ৭০ এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো.মজিবুর রহমান (আজাদী) ৫ হাজার ১২৮ ভোট পেয়েছেন।
জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে ৮৮টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১২টি কেন্দ্রের ফলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. ফরিদুল কবীর তালুকদার (শামীম) ১৭ হাজার ৯৫৩ এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল ৫ হাজার ২৯৮ ভোট পেয়েছেন।
জামালপুর-৫ (সদর) আসনে ১৬১টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৯টি কেন্দ্রের ফলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী (মামুন) ২২ হাজার ৯২৭ ভোট এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তার ১২ হাজার ৮০৮ ভোট পেয়েছেন। এতে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শাহ্ মো.ওয়ারেছ আলী ১২ হাজার ৮০৮ ভোটে এগিয়ে আছেন।
ফেনী–২ আসন
ফেনী-২ আসনের ২৪টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক। এই ২৪টি কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী জয়নাল আবদীন ওরফে ভিপি জয়নাল ১৯ হাজার ৫৪২ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এবি পার্টির মোহাম্মদ মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জু পেয়েছেন ১১ হাজার ৬৮৩ ভোট।
ফেনী-০২ (সদর) আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৭৮ জন। মোট প্রার্থী ১১ জন। কেন্দ্র রয়েছে ১৪৬টি।
চট্টগ্রাম-১১ আসন
চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে ১৪৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩১ টির ফলাফল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী।
এতে বিএনপির প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী পেয়েছেন ২১ হাজার ৮৮১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ শফিউল আলম পেয়েছেন ১৫ হাজর ৩৩ ভোট।
এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৯৫ হাজার ২৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫২ হাজার ৩৩৩ জন, নারী ২ লাখ ৪২ হাজার ৯৪২ জন এবং হিজড়া ৩ জন।
ফেনী-৩ আসন
ফেনী-৩ আসনের ৭৪টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক। এতে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। ৭৪টি কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ২৩০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন ওরফে মানিক পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৮১২ ভোট।
এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৮ হাজার ১৯২ জন। মোট প্রার্থী ৯ জন। কেন্দ্র রয়েছে ১৬১টি।
পাবনা–৫ (সদর) আসন
পাবনা–৫ (সদর) আসনে ৮২ কেন্দ্রের ভোটে এগিয়ে আছেন বিএনপির প্রার্থী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯২ হাজার ৩৭০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. ইকবাল হোসাইন দঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৪৯০ ভোট।
ঢাকা-৮ আসন
ঢাকা-৮ আসনের ১২টি কেন্দ্রের পাওয়া ফলাফলে এগিয়ে রয়েছেন ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা আব্বাস। এসব কেন্দ্রে তিনি মোট ৯২৬ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটগ্রহণ শেষে গণনা শেষে বেসরকারিভাবে পাওয়া ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা যায়, ১২টি কেন্দ্রে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাস পেয়েছেন ৭ হাজার ৪২৩টি ভোট। অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাপলাকলির প্রার্থী নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারী পেয়েছেন ৬ হাজার ৪৯৭ ভোট।
ঢাকা ৬ আসন
ঢাকা ৬ সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ শেষে চলছে গণনা। এখন পর্যন্ত ১০০টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০টির ফল ঘোষণা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সমর্থিত প্রার্থী ইশরাক হোসেন এগিয়ে আছেন।
ঘোষিত কেন্দ্রগুলোর ফলাফলে তিনি মোট ৮৩২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী মো. আব্দুল মান্নান, যিনি পেয়েছেন ৬১৪ ভোট।
তবে এখনো বেশিরভাগ কেন্দ্রের ফলাফল বাকি থাকায় চূড়ান্ত চিত্র পেতে অপেক্ষা করতে হবে সম্পূর্ণ গণনা শেষ হওয়া পর্যন্ত।
ঠাকুরগাঁও-১
ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনের ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪০টি কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলাফল পাওয়া গেছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেয়েছেন ৪৫ হাজার ১১৪ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছেন ২৯,২০৭ ভোট।
শেরপুর ১ আসন
শেরপুর ১ সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ শেষে চলছে গণনা। ১৪৫ টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৪টির ফল ঘোষণা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সমর্থিত প্রার্থী রাশেদুল ইসলাম এগিয়ে আছেন।
ঘোষিত কেন্দ্রগুলোর ফলাফলে তিনি মোট ১১ হাজার ৮৫৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী সানসিলা জেবরিন, যিনি পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৪১ ভোট।
তবে এখনো বেশিরভাগ কেন্দ্রের ফলাফল বাকি থাকায় চূড়ান্ত চিত্র পেতে অপেক্ষা করতে হবে সম্পূর্ণ গণনা শেষ হওয়া পর্যন্ত।
পটুয়াখালী-২ (বাউফল)
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের অধিকাংশ কেন্দ্রে বিপুল ভোটে ১১ দলীয় জোট মনোনীত জামায়াতের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এগিয়ে রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ৮ কেন্দ্রে এগিয়ে মির্জা ফখরুল
ইতোমধ্যে ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনের ১৮৫টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৮টি কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে ৬ হাজার ৭৮ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছেন ২ হাজার ৭৪৪ ভোট।
বরগুনা-১ আসন
দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দেশে প্রথমবারের মতো এই নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছে গণভোট। উৎসবমুখর পরিবেশে আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ২৯৯টি আসনে একটানা চলেছে ভোটগ্রহণ। এখন চলছে ভোট গণনা পর্ব।
এরই মধ্যে বরগুনা-১ আসনের ৪০টি কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা ১৮ মিনিট পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ৪০টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. অলিউল্লাহ এগিয়ে রয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯১ ভোট।
মো. অলিউল্লাহর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২৮ হাজার ৭৩৪ ভোট। আসনটিতে হাতপাখার প্রার্থী ১ হাজার ৩৫৭ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। এর আগে, ২২টি কেন্দ্রের ফলাফলে ধানের শীষের প্রার্থী এগিয়ে থাকলেও ৪০ কেন্দ্রের ফলাফলে হাতপাখার প্রার্থী তাকে ছাড়িয়ে যায়।
রংপুর-২ আসন
রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আসনের ১৩৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫ কেন্দ্রের প্রাপ্ত ভোটে এগিয়ে আছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এটিএম আজহারুল ইসলাম। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৫৩৪ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার পেয়েছেন ২ হাজার ৫০৯ ভোট। জাতীয় পার্টির আনিছুল ইসলাম মন্ডল লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৩৬৮ ভোট।
লক্ষ্মীপুর-৩ আসন
লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের ১৭ কেন্দ্রে ফলাফলে ৬ হাজার ৩৫৫ ভোটে এগিয়ে আছেন ধানের শীষের প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর জেলার ৪টি সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ শেষে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল আসা শুরু করেছে। কেন্দ্রভিত্তিক প্রাপ্ত ফলাফলে কোথাও এগিয়ে রয়েছেন ধানের শীষ, কোথাও দাঁড়িপাল্লা, আবার কিছু কেন্দ্রে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের চিত্র দেখা যাচ্ছে।
সন্ধ্যা থেকেই রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে বিভিন্ন কেন্দ্রের ফলাফল পৌঁছাতে থাকে। বেসরকারিভাবে কেন্দ্রভিত্তিক প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে প্রতিটি আসনে কেন্দ্রভিত্তিক ভোটের ফলাফলে লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে ১৩০টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৭ কেন্দ্রের ফলাফল হাতে এসেছে। এসব কেন্দ্রে মোট হিসেবে ধানের শীষ এর প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ৬ হাজার ৩৫৫ ভোটে এগিয়ে আছেন।
এসব কেন্দ্রে ধানের শীষ এর প্রার্থী শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি মোট পেয়েছেন ২২ হাজার ৯০০ ভোট। এ ছাড়া দাঁড়ি পাল্লার প্রার্থী রেজাউল করিম পেয়েছেন ১৬ হাজার ৫৪৫ ভোট।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সকল কেন্দ্রের ফলাফল ধাপে ধাপে আসছে। চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রভিত্তিক এই ফলাফল পরিবর্তিত হতে পারে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর আংশিক) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা এগিয়ে আছেন। রাত ৮ টা ২৪ মিনিট পর্যন্ত ১২ টি কেন্দ্রে রুমিন ফারহানা ভোট পেয়েছেন ৯ হাজার ৬৪৮। তাঁর নিকটবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব পেয়েছেন ৬ হাজার ৭৪৫ ভোট।
এই আসনের মোট ভোটকেন্দ্র ১৫১।
রংপুর-১ আসন
রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া ও সিটি করপোরেশন ১ থেকে ৯ নম্বর ওয়ার্ড) আসনে ১৬৯ টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৫টির ভোটে এগিয়ে আছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. রায়হান সিরাজী। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ২৫ হাজার ৪০১ ভোট পেয়েছেন। আর বিএনপির মোকাররম হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৫৮৫।
রংপুর–৪ আসন
রংপুর–৪ (পীরগাছা–কাউনিয়া) আসনের ১৬৩ কেন্দ্রের মধ্যে ৫৭টির ভোটে এগিয়ে আছেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন। তিনি শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ৭২ হাজার ৮৯৭ ভোট। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা ধানের শীষে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৪৩৯ এবং জাতীয় পার্টির আবু নাসের শাহ মো. মাহবুবার রহমান পেয়েছেন ১৭ হাজার ৮৯৫ ভোট।
খুলনা–১ আসন
খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনের চারটি কেন্দ্রের ভোটে বিএনপির প্রার্থী আমীর এজাজ খান ধানের শীষ প্রতীকে ৫ হাজার ৪৫ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। আসনটিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী ১ হাজার ৪৮০ ভোট পেয়েছেন।
ঘোষিত কেন্দ্রগুলোর মধ্যে কৈলাশগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আমীর এজাজ খান ধানের শীষে ৭৭৯ ভোট পেয়েছেন। কৃষ্ণ নন্দী দাঁড়িপাল্লায় পেয়েছেন ১৯৫ ভোট। বাজুয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে ধানের শীষ ১ হাজার ১৯৮ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১৯০ ভোট পড়েছে। কালাবগী সালেহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ধানের শীষ ১ হাজার ৭১৪ ও দাঁড়িপাল্লা ৯৯২ ভোট পেয়েছে। দাকোপ থানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আমীর এজাজ খান ধানের শীষে ১ হাজার ৩৫৪ ভোট ও কৃষ্ণ নন্দী দাঁড়িপাল্লায় ১০৩ ভোট পেয়েছেন।
লক্ষ্মীপুর-৩ আসন
লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের ১৭ কেন্দ্রে ফলাফলে ৬ হাজার ৩৫৫ ভোটে এগিয়ে আছেন ধানের শীষের প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর জেলার ৪টি সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ শেষে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল আসা শুরু করেছে। কেন্দ্রভিত্তিক প্রাপ্ত ফলাফলে কোথাও এগিয়ে রয়েছেন ধানের শীষ, কোথাও দাঁড়িপাল্লা, আবার কিছু কেন্দ্রে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের চিত্র দেখা যাচ্ছে।
সন্ধ্যা থেকেই রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে বিভিন্ন কেন্দ্রের ফলাফল পৌঁছাতে থাকে। বেসরকারিভাবে কেন্দ্রভিত্তিক প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে প্রতিটি আসনে কেন্দ্রভিত্তিক ভোটের ফলাফলে লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে ১৩০টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৭ কেন্দ্রের ফলাফল হাতে এসেছে। এসব কেন্দ্রে মোট হিসেবে ধানের শীষ এর প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ৬ হাজার ৩৫৫ ভোটে এগিয়ে আছেন।
এসব কেন্দ্রে ধানের শীষ এর প্রার্থী শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি মোট পেয়েছেন ২২ হাজার ৯০০ ভোট। এ ছাড়া দাঁড়ি পাল্লার প্রার্থী রেজাউল করিম পেয়েছেন ১৬ হাজার ৫৪৫ ভোট।
রংপুর-৩ আসন
রংপুর-৩ (সিটি কর্পোরেশনে ও সদর) আসনে ৫টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলে ২ হাজার ৭০৬ ভোটে পিছিয়ে আছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি পেয়েছেন ১ হাজার ৫৪ ভোট। এসব কেন্দ্রে জামায়াতে ইসলামীর মাহবুবুর রহমান ৩ হাজার ৭৬০ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির সামসুজ্জামান সামু পেয়েছেন ২ হাজার ২০৪ ভোট।
রংপুর-৩ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ২ হাজার ৯৯২। মোট কেন্দ্র ১৬৯। ফল পাওয়া কেন্দ্রগুলো হলো ধাপ সাত গড়া মাদ্রাসা, দি মিলেনিয়াম স্কুল, মেডিকেল কলেজ হাইস্কুল, মরিয়ম নেসা সরকারি বালিকা বিদ্যালয় ও শাহাবাজপুর সরকারি বিদ্যালয়।